আমাদের সংকল্প পশ্চিমবঙ্গকে মুক্ত করার সংকল্প, নিজেদের মধ্যে ভেদ-বিভেদ সব ভুলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সোনার বাংলা গড়ার সংকল্প। ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে সামনে রেখে ওনার আশীর্বাদ নিয়ে আমাদের প্রতিটি পশ্চিমবঙ্গবাসীকে অঙ্গীকার করতে হবে পশ্চিমবঙ্গকে আবার শীর্ষস্থানে আমরা নিয়ে যাবোই। কলকাতার রেড রোডে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির চরণে পুষ্পার্ঘ নিবেদন করে আমাদের যাত্রা শুরু।
আহা! আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর কি মধুর বচন !!! কি ভাষা !!! সব সময় পাকামো! এটা দাও, ওটা দাও। সারাক্ষণ দাও দাও দাও!‘আর কিছু চাইবে না। অনেক দিয়ে দিয়েছি। আগে কিছুই ছিল না। সব করে দেওয়া হচ্ছে ধীরে ধীরে।
তৃনমূল ত্যাগীদের দল, তাই নয়বছর তৃণমূলীদের ত্যাগের ফলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তৃণমূলী নেতাদের পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি সম্পর্কে কোন জ্ঞান নেই, তাই উত্তরণের নামে একের পর এক বাংলার মনীষীদের অপমান করছে। বাঁকুড়ায় গোবিন্দ প্রসাদ সিংহের মর্মর মূর্তিকে তৃণমূল ব্যানার টানিয়ে ঢাকলো। এই তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গের লজ্জা।
লকডাউনের সময় থেকে কেন্দ্রীয় সরকার থেকে,গ্রাম বিকাশের জন্যে সব থেকে বেশি টাকা পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু তৃণমূলের ছোট নেতা থেকে বড় নেতা সবাই দুর্নীতি করেছে, সাধারণ মানুষের প্রাপ্য টাকা নিয়ে।মানুষের প্রাপ্য ছিনিয়ে নিয়ে, আজ নবছর পরে সরকার দুয়ারে দুয়ারে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে।
আম্ফানের ছয় মাস অতিক্রান্ত এখনো অসংখ্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ অর্থ পায়নি ; আম্ফানের টাকা দুর্নীতি করা তৃণমূলের ছোট-মাঝারি -বড়ো নেতারা কারুর কোন শাস্তি হয়নি ,সবাই বহাল তবিয়তে তৃণমূলেই আছে। সব চোর তৃণমূলে কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী ভাষণবাজিতে ব্যস্ত।
আজ অবধি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কন্ট্যাক্ট ট্রেসিংএ সঠিকভাবে গুরুত্ব দেয়নি, আর ইনিই কথায় কথায় যে উত্তরপ্রদেশের মুণ্ডুপাত করেন সেই উত্তরপ্রদেশের প্রশংসা করল WHO
ঘূর্ণিঝড় আমফানের ক্ষতিপূরণ বাবদ; পশ্চিমবঙ্গকে আরও টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র সরকার। রাজ্যের জন্য আরও ২৭০৭ কোটি টাকা; ক্ষতিপূরণ বরাদ্দ করল মোদী সরকার।
বিহার ও অন্যান্য রাজ্যের উপনির্বাচনের ফলাফল : পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের অপশাসন দূর করার সংকল্প
গরুপাচারকারী এনামুল হক, কয়লামাফিয়া লালা ও এদের সর্দার শীর্ষ তৃণমূলের নেতা সবার কীর্তির পর্দা ফাঁস হবে
দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা বানাতে চান কিন্তু পিসি তার ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী বানাতে চান।
যে দলের নেত্রী সিধু বাবু ,ডহর বাবুর কথা বলে তাদের আবার ভগবান বিরসা মুন্ডার জন্যে মাথা ব্যাথা কেন?
মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি একটি শ্বেতপত্র জারী করে বলুক,পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে কতগুলো অবৈধ মাদ্রাসা রয়েছে? অবৈধ মাদ্রাসাগুলোকে কিভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে? অবৈধ মাদ্রাসার বিরুদ্ধে উনি কি ব্যবস্থা নিচ্ছেন?
পশ্চিমবঙ্গের সাইলেন্ট মেজরিটি যে মানুষ তারা সব দেখছেন, তারা ভয় পায়না। তারা সঠিক সময়ে এই মমতা ব্যানার্জির সরকারের একনায়কতন্ত্রের জবাব দেবেন।
ইমরান খানেরই ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী ফওয়াদ চৌধুরী। পাক পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে স্বীকার করলো পুলওয়ামা হামলার কথা। বলেছে গতবছর কাশ্মীরের পুলওয়ামায় হামলা ইমরান সরকারের বিরাট সাফল্য।এবার মমতা ব্যানার্জি কি লজ্জা প্রকাশ করবে? পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এইরকম পাকিস্থানপ্রেমী মুখ্যমন্ত্রী চান না।